সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

এ কৃষ্ণভাব পরিণামহীন


এখানে ছায়ায় বসে রোজ তাকে দেখি
তার রঙিন কাঁচুলি মরশুমি ফুলে ভরে আছে
ঝড়ের পূর্বাভাস নেই তবু আর কিছুক্ষণ
অপেক্ষা করাই যায়, কী বলো আকাশ

নাকি এখনই আচঁলে তার ঢিল ছুড়ি, বাঁশিটি বাজাই!

সহসা আলোর সাজ। মেঘের এ চেরা জিভ যেন
পায়ে পায়ে চলেছে আঁধারে
নিকোনো উঠোন ফেলে সদর পেরোলে?
কালাদীঘি চেয়ে আছে
'ফিরে যাও, ফিরে যাও'
কেঁপে ওঠে ময়ূরপালক

কার নূপুরের ধ্বনি ডেকে নিয়ে যায় পরপারে

এ কৃষ্ণভাব পরিণামহীন
শ্রাবণ ঘনিয়ে থাকা গ্রীষ্মের ওপার
অভিসার না দিয়েই তাকে মাথুর চেনাবো বলে আমি
নিজেকে লুকিয়ে রাখি নিজেরই কপালে


তোমাকে পড়তে আসে প্রতিবেশী মেঘ, তার
কানের মাকড়ি যেন অবিকল ময়ূর পালক

নেপথ্যে বাঁশির বোল; বিস্মৃত বিষাদ পয়ার

ভরা বাদলের দিন। এসো রাই
এসো রাই আরবার ব্রজবাসী হই

বহুদিন, বহুযুগ পরে যেখানে আকাশ ছিল
বকুলের ছায়া কেটে বহুতল হবে
তিরতিরে নদী তার গতি ভুলে আয়না দেখাবে

বেপরোয়া অন্ধ; যাকে কখনও শোনেনি কেউ
নগরে নগরে তার নাম এই বলে রটে যাবে-
দৃষ্টি যাবার পরই সে নিদারুণ পদাবলী রচনা করেছে

------------
১ জুলাই' ২০১৯

মন্তব্যসমূহ