সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

অক্টোবর ৭, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

বছর শেষের রিল-এ

১ গোটানো সুতোর চাঁদ  নিঝুম পাড়ার গতি। একটি মাত্র মাকু, সচল নতুন গামছা বেচে কিনেছে কর্কট ফুলে ওঠা চৈত্রমাস। ফের চতুর্থটি এঁটে আছে অনায়াসে দ্বিতীয়ার কোলে                   এবং বেলার শেষে ঘামের কলম ঝেড়ে আবেদন পত্র লেখা সেরে বাড়তি গামছা বেঁধে ফেরে তার বেকার তিরিশ ২ সারসের ভেজা ঘ্রাণ ধূসরের আগে ও পেছনে অপয়া পালক বেছে ভাসিয়েছে জলজ দেবতা। বাকিটুকু নৈবেদ্যর পাতে তখনও জীবিত কেঁচো কিছু গড়িয়ে নেমেছে। ঠোঁটে বিগত দিনের যত পরিযায়ী এঁটো ছুঁয়ে ছুঁয়ে সাজিয়েছে ফুল। আজ বাসন্তীও যাবেন ভাসানে ------------- রচনাকাল : ২০১৮

খেয়ালী

১ তপ্ত দুপুর অপেক্ষাদের শেষ বৃষ্টিস্নাত গন্ধে মাখামাখি নিজস্বীদের প্রুফ রিডিংয়ের পরে শখের চশমা এমনি খুলে রাখি একটু দূরেই সন্ধে নামলো ঝোপে ঝিঝিঁপোকার ভরন্ত সংসার ওরাও বুঝি ফোকাস এডিট জানে ভার্চুয়ালি সাজায় অন্ধকার বৃষ্টি বিকেল ফুরিয়ে এলেই ঘরে দুচোখ খোঁজে তুলসী তলার আলো ব্রাইটনেসের অভাব ভীষণ মনে দিন যাপনের স্যাটাস ভীষণ কালো মেঘের কোলে তারা ফোটার গান কলম হাতে চাঁদ সেজেছে কবি সময়রেখা পসরা সাজায় ফুলের দেওয়াল জুড়ে সুখপাখিদের ছবি ২ মাঝরাত, শরীরের উষ্ণতা কমে এলেই শীতের আদর মনখারাপের চাদরটা টেনে নিয়ে বেশ খানিকটা হাতের মুঠোয় ফসকে যাওয়া 'তুই' এক চাঁদেরই ক্ষয়ে যাওয়া আছে বোধহয় আর বাকিদের কেবলই আয়ুক্ষয় আজকে ভীষণ ইচ্ছে করছে চাঁদ হতে তুই হয়ত এ সময় জয়পুরের এক রিসর্টে চকচকে পাথুরে মেঝের নকশা চিনছিস ঠান্ডা পানীয়ের গেলাসে জোড়া চুমুক আইসকিউবদুটো গলছে, মিশে যাচ্ছে দু'জনাতে তখনই, ব্যালকনি বেয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে একটা আলো, তোর গোলাপি মুখের ঠিক পাশেই যদি বুঝিস, ওটা আসলে এই কানাভাঙা চাঁদটার ৩ দীর্ঘশ্বাসের বয়স বাড়ছে দ্রুত চোখের সামনে গজিয়ে উঠছে চর এমন একটা পথের সাথে দেখা যে পথ নিজ...