সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন ৭, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

প্রিয় উপশম

প্রিয় উপশম, কালভার্ট পেরোলো বাস। ভাঙাচোরা রেলিঙ পাশ কাটিয়ে। ওই বড় পাথরের আড়াল থেকে ধোঁয়ার ক্লান্ত কুন্ডলী ভেসে আসছে। ভাঙা হাঁড়ি, পোড়া কাঠ ...আজ কার শেষযাত্রার সাথে আমার দীর্ঘশ্বাস মিশে গেল জানা হলো না। বাস এতক্ষণে সেগুনের বনে। সারি সারি বাধ্য, বধ্য গাছ ছায়া মেখে দাঁড়িয়ে আছে। জানো, এই দুমাসে কতবার ভেবেছি তোমায় ডেকে এনে এ ছায়াবাজি দেখাই। তখন এখানে পলাশ ফুটছে। আলোরঙ পলাশ ! ছবি তুলে তোমায় পাঠানো যেত...করিনি তা। আলোকে কি বেঁধে রাখা যায় ! নাকি বাঁধা উচিত, বলো? গ্রামের ভেতর দিয়ে ফিরি রোজ। বর্ধিষ্ণু পাড়া। নিকোনো উঠোন, বাঁধানো পুকুর ঘাট, আটচালা ...এসব স্বপ্ন সেজে চোখে লেগে থাকে। রাত্রে ঘুমঘোরে কে যেন তুলসিতলায় প্রদীপ রেখে যায় ...আলতা পায়ের ছাপ। তোমায় স্পষ্ট দেখি উঠোনআলোয়। কাঁপা কাঁপা আগুনের ঠোঁটে আঙুল বোলাও। ভোরের পর তুমি ঘুমিয়ে গেলে আমার অনন্ত অবসর। তোমায় ঘুমোতে দেখা ছাড়া কোন কাজ থাকেনা আর। মেঘের সাথে আরজন্মের হিসেব বুঝতে বুঝতেই বেলা নেমে আসে। আমি তখন একমনে ঘর সংসার সারি, ছেলে পড়াই...হাত পুড়িয়ে উনুন জ্বালাই আর ভাবি, দূরে কোথাও অনেকটা দূর, বরফবাগিচার মাঝে আমা...

বৃষ্টিফোঁটা ৪

ঝড় বোলানো আলতা বিকেল। দিগন্তেরও রংবদল বৃষ্টি পায়ে আকাশ পেরোয় নোনতা আলোর মফঃস্বল ইচ্ছে করেই ছাতার দেমাক, হয়নি রাখা। ভেজার সুখ আগ বাড়িয়ে ফ্ল্যাশব্যাকে যায়, পাশের সিটে ও কার মুখ! বান্ধবী নয়, নাম জানি না। জানলা চেনায় গন্ধ তার চোখের পাশেই চোখ রেখেছি, ভুলেই যদি একটিবার করতে আলাপ এগিয়ে আসে, চুল সরিয়ে ঠোঁটের তিল যত্ন করে সাজিয়ে নেব গল্প শুরুর অন্ত‍্য‍মিল অথচ তার ব্যস্ত আঙুল, হাওয়ার কাছেও খবর এই এমনিতে সে মুখচোরা তায় কানের দুলের সম্মতি নেই কাজেই অকাজ বৃষ্টি দেখা। ভাবছি এমন ঝড়ের পর হঠাৎ আসে একটা দুটো পথ্য বিহীন তুমুল জ্বর সফরকালীন এ জ্বর ভালো, ঘোরের ভেতর সহজ খুব পাল তোলা এক নৌকো নিয়ে মাঝদরিয়ায় ইচ্ছে ডুব অনুযোগের পরেই বুঝি, ও চোখ বোধয় সাঁতার জানে সবটুকু তাই হয়না ডোবা, রাস্তা ফুরোয় জলের টানে ফুরিয়ে আসে মেঘমিছিলও। হয়না জানা কার্যত ও মেয়ে তোমার নাম রেখেছি বৃষ্টিফোঁটা, পছন্দ তো ? -------------- ৭ এপ্রিল'২০১৮