সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তোমাকে

১ তোমাকে দিগন্তে রেখে পার করি এতটা দুপুর কবিতা শেষের মুখে ঝড় নামে, জল তারপর যেন বা জলের ঘুম। নিঝুম এ আমবন তার পোয়াতিদশার কাছে ঝরে পড়ে থাকে ফুল। নক্ষত্র আকাশে যেমন... মুহূর্তে আলো হও, আলো ভেঙে ভেঙে যায় ২ মনে হয় বোঝ না কীভাবে দ্বিতীয়ার রাতচরা চাঁদ দূর থেকে একা একা চলে আসা মালগাড়িটির মতো অনায়াস আকাশ পেরোয় নিরলস পেঁচার মহিমা আমিও অল্প বুঝি। ঘুম পায় জানালার ওপারে পথে বিশুদ্ধ মাতাল এক কাকে যেন বারেবারে বার্তা পাঠান- "শামকো ভুলা শাম কা ওয়াদা... সঙ্গ দিয়ে কে জাগী রাধা..." বৈরী সতিন হাওয়া উঠোনেতে পায়চারি করে ৩ চৈত্র কুলীন মাস, অপেক্ষাকে বলতে শুনেছি সেজে ওঠা নেই তার তেষ্টার ঘোরে ঘোরে কেটে যায় অসুখের দিন "এইবেলা ভালো আছি । সেরে উঠবই, দেখে নিও" না লেখা চিঠির পাশে আলো বলে " সেরে উঠছি না " চিঠি লিখবার ছলে আলোকে সে জানায় এটুকু চিঠি লিখবার ছলে প্রতিবার শোনায় নিজেকে --------- রচনাকাল :মার্চ' ২০২০

আরোগ্য

১ চাঁদ ও রেডিও। মৃদু স্বরে বেজে চলা প্রিয় দশকের গানগুলি। এসব তো অজুহাত তোমার কথা-ই আসলে যা ঘুরে ফিরে আকাশের পথে সোনালী আলোর মতো ফুটে আছে দূরে কাছে নিঝুম বাগান, অন্ধ পেঁচাটি আর ছেড়ে যাওয়া শেষ ট্রেন। একাকী স্টেশনে গরম চাকার ঘ্রাণটুকু ছড়িয়ে কেবল ঘুম আসেনি যে আজ-ও। তুমি এলে? তারা খসা দেখে হাতদুটি জড়ো করে আবার চাইলে মনে মনে? তবু এ অসুখ বুঝি সারবে না কোনওদিন ২ এত চাওয়া রেখো না আঙুলে ভোরের নিকটে চাঁদ-ও দ্যাখো ফিকে হয়ে এল ঘোর থেকে যতবার জেগে উঠি, দেখি ছেঁড়া ছেঁড়া কুয়াশা আলোকে গ্রহণ সাজিয়ে রেখে রাত হেঁটে গ্যাছে কৃষ্ণা-প্রতিপদে দুয়েকটি তারা, যেন তোমারই জ্বালানো জাগর প্রবল অসুখে তেতে ওঠা এ কপাল আর তোমার সোনার হাত স্পর্শ মাত্র পুড়ে যায় পুড়ে যায় পাইনের, দেবদারু পাতার মতন খাদের কিনার। এত চাওয়া নিয়ে বলো কোথায় দাঁড়াবে বরং তফাতে থাকো। আমাদের স্বপ্নগুলো হুবহু মিলুক এসে না পাওয়া আরোগ্যের সাথে -------- রচনাকাল : ২০১৯