সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন ২৫, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভ্রমণ ৫

অপেক্ষার মতো অবাধ্যতা আর কিছুতে নেই। বড় বেশি একরোখা, যাদের প্রেম ছেড়ে যায়। শীত,বরফ,কুয়াশা-এসব শব্দ নিয়ে আমি আর লিখবো না,ভাবি। লিখি খাদ, লিখি গড়াতে গড়াতে ছোট হয়ে আসা প্রিয় প্রিয় ভ্রমণ, তোমায় বসিয়ে রেখে পাইনের বনে,জেনো এবছরও শহরমুখী হবো।  খোঁজ নিও। গাছেরা তো জানতে দেবে না আমাকে কি কিনে নেওয়া সহজ ভীষণ, জাদুমণি ? ----- ৩ নভেম্বর' ২০১৮

ভ্রমণ ৪

যে মেঘ দুপুর শেষে ভিনদেশি ফেরিওলা ,তার ভ্রমণকাহিনী থেকে পলাতক নীলরঙ , ঘুড়ি       বিগতবিকেল                           এককোণে লাটাই শোয়ানো পোড়াকাঠ , ওবাড়ির ছাদে ডাঁইকরা। আঁচলের নামে চিঠি আসতে দেখিনি তারপর লোডশেডিং শেষবার রূপকথা পড়ালো যেদিন    রেলিঙের ভগ্নাংশে জংদাগ বাড়ছে নিয়ত কোঠা থেকে ঝুলে থাকে নিরুপায় শাওন মাহিনা ------- ১৭ জুলাই' ২০১৮

ভ্রমণ ৩

প্রতিবারই ঝুঁকে পড়ো। বেসামাল রেলিং সাহসী  নিশানা অব্যর্থ,  অপরের সাক্ষী নেই পাইনশরীরে, কাঁটা ছাড়া হাটখোলা। ভোর। এই কুয়াশায় লুকোনো যে খাদ খবর হয়না তার দুয়েকটা পথ মনে হলে গরম চায়ের কেচ্ছা, মনযোগে পড়ছি  তোমাকে লাগেজ, স্লীপিংপিল নিরাপদ দূরত্বে শোয়ানো -------

ভ্রমণ ২

এহাতে বিয়োগরেখা  পূর্বাভাস, মুঠোর আড়ালে থেকে আবহাওয়া শোনায়  গতিহীন; এ গন্তব্য ইশারাবাগীশ। ঝাঁপডানা কতকাল রেলিঙে শোয়ানো। নির্ঘুম পালকও তার পাঁজিদেখা ভোরের লাটাই                 অনামিকা আলগা কেটেছে সেই গিঁটে পশ্চিমে মেঘের গড়ন ছন্দবদ্ধ, তবু মন্ত্রপুত সুতোঘুড়ি কব্জিতে বাঁধবার আগে তুমুল ঝড়ের পেটে দুর্ভাগ্য ফুলে ফেঁপে ওঠে ------                         

ভ্রমণ ১

এসব চরাই, মাঝে যতিচিহ্ন নেই আন্দাজে বাঁক লিখি। আড় ভাঙে কুয়াশায় মুছে যায় বিরামগ্রস্ত চাকাদাগ ভ্রমণ গড়িয়ে নামে সারিগান জানা কোন                           পার্বত্য প্রেমিকার চোখে টুকরো কাঠের সাথে আবদার ছুঁড়ে দেয় সেও বলিরেখা      উনুনে গুছিয়ে রাখে প্রতিশ্রুত শীতের বাগিচা পর্যটক ফেরে। অনুযোগে পোড়ায় শহর  মরশুমও জানায়নি তাকে                আমি তার এলাচ পাতার ভাগিদার ------- ১৭ এপ্রিল, ২০১৮