সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

আগস্ট, ২০২১ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নিঝুমপুর

কোয়ারেন্টাইন ডাইরিজ(৩) "তবু যেতে হবে শালবন, হয়ত ফুটেছে ফুল, শালবন কখনো দেখিনি, শালফুল হয়ত ফোটে না, ফুটলেও যাবে না চেনা,কেন না এ পথ ........চলেছে নিঝুমপুর।" পড়ছিলাম তারাপদ রায়-কে। 'নিঝুমপুর'...৭৮ পৃষ্ঠার সংক্ষিপ্ত একটি আখ্যান। পাঠের প্রথমেই বাধা পাই সুধীর মৈত্র-র আঁকা নিঝুপুরের ছবিটিতে। ছবিটির শিরোনাম এরকম হতে পারত,- "স্টিমার আসিছে ঘাটে পড়ে আসে বেলা..." আমাদের চির পরিচিত সহজপাঠের-ই প্রতিরূপ যেন।  নাহ! এ কোনও পাঠ প্রতিক্রিয়া নয়। ভূমিকা মাত্র। এমনই স্বচ্ছল দুপুরে যখন নিঝুমপুরে বেলা পড়ে আসছে , সমান্তরালে আমার কন্যাসমা আমগাছটির কথা মনে পড়ছে! ওঁকে যখন ছেড়ে এসেছি, উচ্চতায় আমার সমান ছিল বোধয়। ছিপছিপে চেহারায় মানানসই পাতার বাহার। হেজ-বেড়াটির গায়ে ওঁর অষ্টপ্রহর জেগে থাকাটি মনে পড়ছে। জানি না আজ কতখানি বিস্তারিত হয়েছে সে। কত বড়ই বা গৃহস্থ। সময় তো জানাবার অপেক্ষা রাখে না। আরেকটু সন্ধের দিকে প্রিয় চাঁপাগাছটির কথা ভাবি। যে বাড়িটির কথা বলছি তার সঙ্গে পরিচয় সম্ভবত আমার চতুর্থ শ্রেণী থেকে। সদ্য পাঠ্যবই-এ পড়েছি নরেনের দুঃসাহসিক গল্পখানি। চাঁপাগাছটি সম্পর্কে তাই বাড়...