পলাশ ধোওয়া বৃষ্টি যখন ছিলই পূর্বাভাস
দাবি মতন উইন্ডো সিট আর বিকেল ফেরত বাস
এবারও কাচ হয়নি টানা । বার্তা এল জলের
বসন্ত-রঙ মেঘবালকের ঝাপসা মফঃস্বলে
সেই সে কবে, শ্রাবণ বোধ'য় । লেখার কথা ছিল
হাওয়ার চিঠি, জলের পদ্য । আলোর অন্ত্যমিল-ও
লিখব ভেবেও হয়নি লেখা । এমনই অভ্যেস
তোমায় আবার পড়তে আসা, ফ্রেব্রুয়ারীর শেষ
পাতলা চাদর । বিষ্ণুপুরী? মানিয়েছে একঘর
সঙ্গে কে ও, শান্ত যুবক । ওই কি তোমার বর
আমিও যেমন, খোঁজ রাখিনি । লগ্ন গেল কত
স্বভাবতই বদলেছে ঘর । সত্যিই বিবাহিত?
প্রবোধ জোগাই বন্ধু সে জন । কিংবা প্রেমিক। ভালো
বৃষ্টি আসার আগের মতোই বিদ্যুৎ চমকালো
আলোর রেখায় পড়তে পাওয়া স্পষ্ট ও ঠোঁট, চোখ
এর বেশি কী চাইবে বলো ব্যর্থ মেঘবালক
এবং শুধু বলতে চাওয়া ," জানতে পেরেছিলে-
বৃষ্টিফোঁটা, ঠায় দাঁড়িয়ে বিরানা ম্যাহফিলে
যে ছেলেটি তোমার নামের স্বপ্ন কুড়োয়, আঁকে
একটি দিনের জন্য হলেও বন্ধু কোরো তাকে"
কখন কীসব নাম রেখেছি, বলব ভাবি যেই
বাস থেমেছে বাঁক পেরিয়ে তোমার পাড়াতেই
ঠিক তখনই ঝমঝমিয়ে, এমনি বেয়াদব
ছাতা-ও তো আর নাওনি সাথে । ভিজিয়ে দিল সব
আবছা ভীষণ আমার কাচ-ও । রাস্তা পেরোয় জল
ফিরতে তো সেই রোজই হবে, পথটুকু সম্বল
দিনের পরে দিন গিয়েছে । মাঝখানে আটমাস
ভেজার বয়স বছর দুয়েক । সঙ্গী লোকাল বাস
২৮ ফেব্রুয়ারী'২০১৯
মন্তব্যসমূহ